• ২৫ ফাল্গুন ১৪৩২, সোমবার ০৯ মার্চ ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Pil

খেলার দুনিয়া

ফাইনালের আগে বড় প্রশ্ন! দলে থাকবেন তো অভিষেক? পাশে দাঁড়ালেন কপিল দেব ও রবি শাস্ত্রী

চলতি কুড়ি ওভারের বিশ্বকাপে অভিষেক শর্মার পারফরম্যান্স নিয়ে ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে নানা আলোচনা। টুর্নামেন্ট শুরু হওয়ার আগে ভারতীয় ক্রিকেটপ্রেমীদের কাছে তিনি ছিলেন অন্যতম ভরসার নাম। তাঁর ছক্কার ঝড় দেখার অপেক্ষায় ছিলেন অনেকেই। কিন্তু বিশ্বকাপে এখনও পর্যন্ত সেই আগ্রাসী ব্যাটিং খুব একটা দেখা যায়নি। তাই ফাইনালের আগে প্রশ্ন উঠছে, প্রথম একাদশে কি থাকবেন অভিষেক?তবে ভারতের প্রাক্তন ক্রিকেটারদের অনেকেই তাঁর পাশে দাঁড়িয়েছেন। বিশ্বজয়ী অধিনায়ক কপিল দেব মনে করছেন, দলের উচিত অভিষেকের উপর ভরসা রাখা। তাঁর কথায়, দলের পরিচালকদের খেলোয়াড়ের উপর আস্থা রাখা দরকার। একই সঙ্গে অভিষেকেরও নিজের উপর বিশ্বাস রাখা উচিত। তিনি বলেন, এখনও একটি ম্যাচ বাকি রয়েছে, সেটাই ফাইনাল। তাই শেষ ম্যাচে ঘুরে দাঁড়ানোর সুযোগ রয়েছে।এই বিশ্বকাপে অভিষেক এখনও নিজের সেরা ছন্দ খুঁজে পাননি। ফর্ম, ফিটনেস এবং আত্মবিশ্বাস সব দিক থেকেই তিনি কিছুটা পিছিয়ে রয়েছেন বলে মনে করছেন অনেকেই। জিম্বাবোয়ের বিরুদ্ধে একটি অর্ধশতরান করলেও সেই ইনিংস খুব বেশি আত্মবিশ্বাসী ছিল না বলে মত অনেকের। সেমিফাইনালেও তিনি মাত্র নয় রান করে আউট হন।ভারতের প্রাক্তন কোচ রবি শাস্ত্রীও মনে করছেন, দলে কোনও পরিবর্তনের প্রয়োজন নেই। তাঁর মতে, অভিষেককে নিজের প্রতিভার উপর ভরসা রাখতে হবে। তিনি বলেন, নিজের দুর্বলতা নিয়ে বেশি চিন্তা না করে শক্তির জায়গাগুলোর উপর আস্থা রাখা দরকার। মাঠে নেমে স্বাভাবিক খেলাটা খেললেই হয়তো এই ম্যাচেই তাঁর সেরা ইনিংস দেখা যেতে পারে। তবে শট নির্বাচনের ক্ষেত্রে আরও সতর্ক হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন শাস্ত্রী।ভারতীয় দলের পরিচালকরাও এখনও অভিষেকের উপর আস্থা রাখছেন বলে জানা গিয়েছে। রান না পেলেও তাঁকে সমর্থন করছেন কোচ গৌতম গম্ভীর এবং অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব। ফাইনালের দলেও অভিষেক থাকতে পারেন বলেই ইঙ্গিত মিলছে। তাঁর পাশে থাকবেন ভাল ফর্মে থাকা সঞ্জু স্যামসন। দলের তরফে জানানো হয়েছে, প্রত্যেক খেলোয়াড়ের দিকেই নজর রাখা হচ্ছে এবং অভিষেকের উপর দলের পূর্ণ আস্থা রয়েছে।

মার্চ ০৭, ২০২৬
দেশ

উড়ানের কিছুক্ষণের মধ্যেই নিখোঁজ যুদ্ধবিমান! অসমে ভেঙে পড়তেই মৃত্যু দুই বায়ুসেনা পাইলটের

অসমে ভয়াবহ দুর্ঘটনায় ভেঙে পড়ল ভারতীয় বায়ুসেনার একটি সুখোই যুদ্ধবিমান। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় উড়ানের কিছুক্ষণের মধ্যেই বিমানটির সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। এরপরই শুরু হয় তল্লাশি অভিযান। পরে জানা যায়, অসমের কার্বি আংলং জেলায় ভেঙে পড়েছে যুদ্ধবিমানটি। এই দুর্ঘটনায় দুই পাইলটের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে ভারতীয় বায়ুসেনা।বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা প্রায় সাতটা নাগাদ বিমানটি নিখোঁজ হয়ে যায়। জানা যায়, যুদ্ধবিমানটি উড়েছিল অসমের জোরহাট বায়ুসেনা ঘাঁটি থেকে। উড়ানের কিছুক্ষণ পরই বিমানটির সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। শেষবার রাত সাতটা বেয়াল্লিশ মিনিটে বিমানটির সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়েছিল। তারপর থেকেই বায়ুসেনার হেলিকপ্টার দিয়ে শুরু হয় তল্লাশি অভিযান।বায়ুসেনা জানিয়েছে, শেষবার যোগাযোগের সময় যুদ্ধবিমানটির অবস্থান ছিল অরুণাচল প্রদেশ সীমান্তের কাছাকাছি এলাকায়। পরে সেনার পক্ষ থেকে জানানো হয়, প্রশিক্ষণ উড়ানের সময় জোরহাট থেকে প্রায় ষাট কিলোমিটার দূরে অসমের কার্বি আংলং জেলায় ভেঙে পড়েছে বিমানটি।এই দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন দুই পাইলট। বায়ুসেনার তরফে জানানো হয়েছে, মৃতদের মধ্যে রয়েছেন অনুজ এবং পূর্বেশ দুরাগকর। সামাজিক মাধ্যমে শোকবার্তা দিয়ে বায়ুসেনা জানিয়েছে, দুই সাহসী সদস্যকে হারিয়ে তারা গভীরভাবে শোকাহত। তাঁদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানানো হয়েছে।এই দুর্ঘটনায় শোকপ্রকাশ করেছেন কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংহ। তিনি নিহত পাইলটদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন।ভারতীয় বায়ুসেনার কাছে বর্তমানে দুই শতাধিক সুখোই যুদ্ধবিমান রয়েছে। এর আগেও এই ধরনের দুর্ঘটনা ঘটেছে। দুই হাজার চব্বিশ সালের জুন মাসে মহারাষ্ট্রের নাসিক জেলায় একটি সুখোই যুদ্ধবিমান ভেঙে পড়েছিল। তারও আগে দুই হাজার তেইশ সালের জানুয়ারিতে গোয়ালিয়র বিমানঘাঁটি থেকে উড়ানের পর আর একটি সুখোই যুদ্ধবিমান দুর্ঘটনায় ধ্বংস হয়ে যায়।অসমের এই দুর্ঘটনা আবারও যুদ্ধবিমান নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলে দিল বলে মনে করছে অনেকেই। তদন্তের মাধ্যমে দুর্ঘটনার আসল কারণ খতিয়ে দেখা হবে বলে জানিয়েছে বায়ুসেনা।

মার্চ ০৬, ২০২৬
দেশ

আহমেদাবাদ বিমান দুর্ঘটনা কি নাশকতা? পাইলট ইচ্ছাকৃতভাবে জ্বালানি সুইচ বন্ধ করেছিলেন?

আহমেদাবাদে এয়ার ইন্ডিয়ার যে বোয়িং ৭৮৭-৮ বিমানটি ভেঙে পড়েছিল, তা নিছক দুর্ঘটনা নাও হতে পারে। ইতালির দৈনিক কোরিয়ের ডেলা সেরা এক প্রতিবেদনে দাবি করেছে, পাইলট ইচ্ছাকৃতভাবে বিমানের জ্বালানি সুইচ বন্ধ করে দিয়েছিলেন। যদিও ভারতের উড়ান নিয়ন্ত্রক সংস্থা ডিজিসিএ এখনও চূড়ান্ত তদন্ত রিপোর্ট প্রকাশ করেনি। তাই বিশেষজ্ঞদের মতে, এখনই নিশ্চিত সিদ্ধান্তে পৌঁছনো ঠিক হবে না।ইতালির ওই সংবাদপত্র দুটি সূত্রের বক্তব্য তুলে ধরে জানিয়েছে, যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে নয়, পাইলটের পদক্ষেপের ফলেই বিমানটি দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, পাইলট ইচ্ছা করে জ্বালানি সুইচ কাটঅফ মোডে নিয়ে যান। এর ফলে দুটি ইঞ্জিনেই জ্বালানি সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায় এবং বিমান দ্রুত উচ্চতা হারাতে শুরু করে। শেষ পর্যন্ত সেটি ভেঙে পড়ে। ভারতীয় তদন্তকারীদের একটি অংশও এমনটাই মনে করছেন বলে দাবি করা হয়েছে প্রতিবেদনে। সেখানে পাইলট-ইন-কমান্ড ক্যাপ্টেন সুমিত সাভারওয়ালকে প্রাথমিকভাবে দায়ী করা হয়েছে। জানা গিয়েছে, খুব শিগগিরই এই নিয়ে আরও বিস্তারিত প্রতিবেদন প্রকাশ করবে কোরিয়ের ডেলা সেরা। বিমান দুর্ঘটনা রুখতে পাইলটদের মানসিক স্বাস্থ্যের নিয়মিত মূল্যায়ন ও পর্যবেক্ষণের সুপারিশও করা হতে পারে।গত বছরের ১২ জুন আহমেদাবাদ থেকে লন্ডনগামী এয়ার ইন্ডিয়ার বিমানটি উড়ানের কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই মেঘানিনগরের বিজে মেডিক্যাল কলেজের ক্যান্টিনের উপর ভেঙে পড়ে। এই ভয়াবহ দুর্ঘটনায় ২০০ জনের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়। ঘটনাটি গোটা দেশকে নাড়িয়ে দেয়।এয়ারক্রাফট অ্যাক্সিডেন্ট ইনভেস্টিগেশন ব্যুরোর প্রাথমিক রিপোর্টেও বলা হয়েছে, বিমানটি যখন গতি নিয়ে উপরে উঠছিল, তখনই দুটি ইঞ্জিনের জ্বালানি কাটঅফ মোডে চলে যায়। ফলে ইঞ্জিনে জ্বালানি সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। রিপোর্টে আরও উল্লেখ রয়েছে, ইঞ্জিন বন্ধ হওয়ার ঠিক আগে একজন পাইলট অন্যজনকে প্রশ্ন করেন, ইঞ্জিন বন্ধ করলে কেন? উত্তরে অপর পাইলট বলেন, আমি কিছু বন্ধ করিনি। এই কথোপকথন ঘিরেও তৈরি হয়েছে নতুন রহস্য।তবে পাইলটদের সংগঠনের দাবি, প্রাথমিক তদন্ত রিপোর্টে সব তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। তাদের অভিযোগ, জ্বালানি সুইচের সম্ভাব্য ত্রুটি ও অন্যান্য যান্ত্রিক সমস্যার দিকগুলি যথাযথভাবে খতিয়ে দেখা হয়নি। তারা আদালতের তত্ত্বাবধানে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি তুলেছে।চূড়ান্ত রিপোর্ট প্রকাশ না হওয়া পর্যন্ত এই ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ নিয়ে ধোঁয়াশা থেকেই যাচ্ছে।

ফেব্রুয়ারি ১২, ২০২৬
দেশ

ইন্ডিগোর বিপর্যয়ের নেপথ্যে বিস্ফোরক তথ্য! পাইলট সংকটে ভেঙে পড়ছিল দেশজুড়ে বিমান পরিষেবা

ইন্ডিগোর টানা বিমান-বিভ্রাটের পিছনে বড় কারণ হিসেবে উঠে এসেছে ডিজিসিএ-র নতুন নিয়ম, যেখানে পাইলটদের বেশি বিশ্রাম দেওয়াকে বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। আহমেদাবাদের ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনার পর থেকেই এই নিয়ম নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছিল। কিন্তু পর্যাপ্ত কর্মী না বাড়ালে এই নিয়ম মানা বিমানসংস্থাগুলির পক্ষে অসম্ভব হয়ে উঠেছিল। শেষ পর্যন্ত বাধ্য হয়েই বিশাল নিয়োগে নামতে হয় বিভিন্ন সংস্থাকে। ইন্ডিগোর পর পর সমস্যায় পড়া দেখে তড়িঘড়ি প্রায় ১৪ হাজার পাইলট নিয়োগ করেছে দেশের ছটি বিমানসংস্থা।সোমবার সংসদে এই তথ্য জানান কেন্দ্রের অসামরিক বিমান পরিবহণ প্রতিমন্ত্রী মুরলীধর মোহল। তিনি জানান, এয়ার ইন্ডিয়া ৬,৩৫০ জন এবং এয়ার ইন্ডিয়া এক্সপ্রেস ১,৫৯২ জন পাইলট নিয়োগ করেছে। আকাশ এয়ারে ৪৬৬ এবং স্পাইসজেটে ৩৮৫ জন নতুন পাইলট যোগ দিয়েছেন। সরকারি অ্যালায়েন্স এয়ার নিয়েছে আরও ১১১ জনকে। সবচেয়ে বড় নিয়োগ করেছে ইন্ডিগো, মোট ৫,০৮৫ জন পাইলট।এই বিশাল নিয়োগের মাঝেও পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়নি। বিপর্যয়ের অষ্টম দিনে, অর্থাৎ মঙ্গলবার সকাল ১০টা পর্যন্ত ইন্ডিগোর ২০০-রও বেশি উড়ান বাতিল হয়েছে। যাত্রীদের ক্ষোভও বাড়ছে। বিমানসংস্থা জানিয়েছে, সোমবার রাত পর্যন্ত যাত্রীদের মালপত্র, টিকিটসহ মোট ৮২৭ কোটি টাকা ফেরত দেওয়া হয়েছে। বাকি যাত্রীদের টাকাও দ্রুত ফেরত দেওয়া হবে বলে দাবি ইন্ডিগোর।এদিকে কেন্দ্রীয় অসামরিক বিমান পরিবহণ মন্ত্রী রামমোহন নায়ডু সতর্ক করেছেন, প্রয়োজনে কঠোর ব্যবস্থা নিতে পিছপা হবে না সরকার। নতুন নিয়ম মেনে পরিষেবা চালানো এবং যাত্রীদের ভোগান্তি কমানোদুটোকেই এখন সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

ডিসেম্বর ০৯, ২০২৫
রাজ্য

বর্ধমানে ভয়ঙ্কর দুর্ঘটনা, মৃত্যুমিছিল, মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে হাহাকার

বর্ধমানের নবাবহাটের কাছে ফাগুপুরে জাতীয় সড়ক বড়সড় দুর্ঘটনা। পুণ্যার্থী বোঝাই বাস দূর্ঘটনা দুর্ঘটনার কবলে। এই দুর্ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে। জানা গিয়েছে, রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকের পিছনে ধাক্কা মারে বাসটি। আহত হয়েছে ৩৫ জন। জখমদের বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। বাসটি তারকেশ্বর থেকে দেওঘরের বাবাধাম যাচ্ছিল বলে জানা গিয়েছে। এঁরা সকলেই বিহারের বাসিন্দা।চোখের সামনে এই মর্মান্তিক দৃশ্য দেখে শিউরে উঠেছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, দুর্ঘটনার সময় বাসটি অতিরিক্ত গতিতে চলছিল। সংঘর্ষের তীব্রতায় বাসের সামনের অংশ সম্পূর্ণ দুমড়ে-মুচড়ে যায়। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় অন্তত ৮ জনের, পরে হাসপাতালে মৃত্যু হয় আরও কয়েকজনের। মৃতের সংখ্যা ক্রমশ বাড়ছে বলে আশঙ্কা।দুর্ঘটনার খবর পেয়ে সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় ভাতার থানার পুলিশ ও দমকল। উদ্ধারকাজ চালাতে হয় ঘণ্টার পর ঘণ্টা। আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে হাহাকার পরিস্থিতি তৈরি হয়। হাসপাতালের করিডরে শোকাহত পরিজনদের কান্নায় বাতাস ভারী হয়ে ওঠে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃতদের পরিচয় জানার চেষ্টা চলছে। ইতিমধ্যে দুই গাড়ির চালককেই আটক করা হয়েছে। প্রাথমিক অনুমান, অতিরিক্ত গতি ও অবহেলাই এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনার মূল কারণ।স্থানীয় প্রশাসন জানায়, আহতদের সর্বোচ্চ চিকিৎসা নিশ্চিত করা হচ্ছে। মৃতদের পরিবারকে রাজ্য সরকারের তরফে আর্থিক সাহায্যের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।

আগস্ট ১৫, ২০২৫
খেলার দুনিয়া

১৯৮৩-২০২৪ ব্যবধান ৪১ বছর হলেও, একসুত্রে ধরা পরলো কপিল-সূর্য-র 'ক্যাচ'-এ

ভারতীয় ক্রিকেট দল শনিবার বর্বাডোসে ২০২৪-র টি-২০ বিশ্বকাপ জয়লাভ করে ক্রিকেট ইতিহাসে একটি নতুন অধ্যায় শুরু করেছে। মেন ইন ব্লু চূড়ান্ত খেলায় দক্ষিণ আফ্রিকাকে সাত রানে হারিয়ে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ট্রফি জিতেছে। ১১ বছরের দীর্ঘ আইসিসি ট্রফির খরার অবসান ঘটে। এশিয়ান জায়ান্টরা শেষবার ২০১৩ তে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি জিতেছিল।ভরতের বারা ভাতে ছায় দিয়ে দিয়েছিলো অক্ষর প্যাটেলের ১৫ তম ওভার। হেনরিক ক্লাসেন অক্ষর প্যাটেলের ওই ওভারে ২৪ রান নিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকাকে প্রায় জয়ের দোরগোড়ায় নিয়ে আসেন। ঠিক যখন ম্যাচটি ভারত হাত থেকে সরে যাচ্ছে বলে মনে হচ্ছে, ঠিক সেই সময় ১৬ তম ওভারে হার্দিক পান্ড্য বল করতে এসেই বিপজ্জনক ক্লাসেনকে উইকেটের পিছনে ধরা দিতে বাধ্য করেন। এক্ষেত্রে উইকেটরক্ষক ঋষভ পন্থ কোনও ভুল করেননি। অক্ষর প্যাটেলের ওভারে বিশাল রান হওয়ার সাথে সাথে কমেন্ট্রী বক্সে বহু যুদ্ধের নায়ক রবি শাস্ত্রী কে বলতে শোনা যায়, যখন ব্যাটারকে কোনও কিছুতেই পরাস্ত করা যাচ্ছে না তখন মোমেন্টাম ব্রেক করতে হয়। মানে সাময়িক বিরতি খেলোয়ারের মনচ্যুতি বা ধৈর্জচ্যুতি ঘটে, এখানে লক্ষনীয় ঋষভ পন্থ পায়ে চোটের জন্য ফিজিও ডেকে ৩-৪ মিনিট সময় ব্রেক নিলেন। তাতেই কাজ। ক্লাসেন ধৈর্জ হারিয়ে বাইরের বল তারা করে উইকেটের পিছনে ধরা পরলেন।ক্রিজে ডেভিড মিলারের সাথে জনসেন, প্রোটিয়ারা তখনও স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছে, তাঁরা নিশ্চিত ছিল এই ম্যাচ তাঁরা বের করে নিতে পারবে। ক্লাসেনের বিদায়ের পরের তিনটি ওভার আরশদীপ, বুমরা, হ্রাদিক যেন অলৌকিক স্পেলিং করলেন। বল-রান প্রায় সমান-সমান অবস্থা থেকে আস্কিং রেট ক্রমশ বারতে থাকে। চাপ বাড়ে সাউথ আফ্রিকার। শেষ ওভার কে বল করবে এই নিয়ে ভাবনার মাঝেই হ্রাদিক বল হাতে রান-আপে দাঁড়ায়। ভারতীয় দলের দিকপাল ফিল্ডাররা তখন বাউন্ডারি লাইনের গা ঘেঁশে দাঁড়িয়ে। হ্রাদিকের ২০ তম ওভারের প্রথম বল, কিলার মিলার সোজা লং অফের দিকে তুলে মাড়লেন, হৃদস্পন্দন সাময়ীক ছন্দ হারালো বল মাঠের বাইরে চলে যাচ্ছে দেখে। সবাই যখন বলটাকে মাঠের বাইরে যেতে দেখছে, একজন কিন্তু ওটাকে বিশ্বকাপ দেশের বাইরে চলে যাচ্ছে দেখছিলেন। লং অফ বাউন্ডারিতে দাড়িঁয়ে ধীর শান্ত ভাবে বলটিকে তালুবন্দি করলেন, নিজের ভারসাম্য ঠিক রাখার জন্য তালুবন্দি বলটিকে হাওয়ায় ভাসিয়ে দিয়ে মাঠের বাইরে গিয়ে ভারসাম্য ঠিক করে আবার মাঠে ঢুকে ফাইনালি বিশ্বকাপ (বল) তালুবন্দি করলেন সূর্যকুমার যাদব। তাঁর এই শান্ত মাথা তাঁকে চাপের মধ্যে সর্বকালের অন্যতম সেরা ক্যাচ নিতে সাহায্য করেছিল।তাঁর এই অনবদ্য ক্যাচ ক্রিকেট ইতিহাসে আইসিসি বিশ্বকাপ ফাইনালে ইভেন্টে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ ক্যাচ হয়ে থাকলো। অবধারিত ভাবেই সূর্যকুমার যাদবের এই মহাকাব্যিক ক্যাচ ১৯৮৩-র বিশ্বকাপ ফাইনালে ভারত অধিনায়ক কপিলদেবের ঐতিহাসিক ক্যাচ নেওয়ার কথা মনে করিয়ে দেয়। সেদিনও মদনলালের বলে ভিভিয়ান রিচার্ডসের ডিপ মিড-উইকেটে তোলা উঁচু ক্যাচ কপিল দেব প্রায় ২৫ মিটার পিছনে দৌড়ে গিয়ে অসামান্য দক্ষতায় তালুবন্দি করেন। সেদিনও ভিভ রিচার্ডস না ফিরলে ভারতের বিশ্বকাপ জয় হয়ত বা সম্ভব হত না। ৪১ বছর পর, সূর্যকুমার যাদবও শেষ ওভারে তার খেলা পরিবর্তনকারী ক্যাচ দিয়ে ভারতের ভাগ্য পরিবর্তন করলেন। যদিও কপিলের ক্যাচ ভারতীয় ক্রিকেটের চেহারা চিরতরে বদলে দিয়েছে, সূর্যকুমার যাদব ভারতীয় ক্রিকেটের ১১ বছরের দীর্ঘ যন্ত্রণার অবসান ঘটিয়েছে কারণ রোহিতের অধিনায়কত্বে এই দলটি অধীর আগ্রহে আইসিসি খেতাবের জন্য অপেক্ষা করেছিল। ভারতীয় ক্রিকেট তাদের ক্রিকেট ইতিহাসে আরেকটি গৌরবময় অধ্যায় শুরু করার সাথে সাথে, কপিলদেব এবং সূর্যকুমার যাদব তাদের দুর্দান্ত ফিল্ডিং দিয়ে দলের ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য চিরকাল স্মরণীয় হয়ে থাকবেন।

জুন ৩০, ২০২৪
সম্পাদকীয়

মুসলিম তোষন: সোনার পাথর বাটি

চৈত্র এলেই বঙ্গ বাসীর মন উচাটন হয় পয়লা বৈশাখের জন্য। রুখু সুখু চৈত্রের দায়িত্ব বৈশাখের জন্য মঞ্চ সাজিয়ে প্রস্থান করা। আর দুদিন বাদেই বাংলা পয়লা বৈশাখ উদযাপন করতে মন্দিরে, রেস্তোরাঁয় লাইনে দাঁড়াবে। এবার আবার তারপরেই ভোটের লাইনে দাঁড়াবে বঙ্গভূমি। যদিও নির্বাচনটা সারা দেশে। তবু দেশটার নাম যেহেতু ভারতবর্ষ, তাই দেশ এক হলেও প্রতি প্রদেশেই সাজানো থাকে বৈচিত্র্যের ডালি। এই বৈচিত্র্যের কারনেই প্রতিটি রাজ্যে ভোট, ভোটার, ভোটের প্রতিশ্রুতি, কাদা ছোঁড়াছুঁড়ি, শান্তি, অশান্তি সব কিছুর ই ক্যানভাস আলাদা। এই যেমন আমাদের বাংলা।এখানে ভোট এলেই শাসকদল তৃণমূলের ভোট শক্তির দুই স্তম্ভ নিয়ে আলোচনা হয়। চলে তর্ক, বিতর্ক। এই দুই স্তম্ভ কে কি ভাবে কাছে টেনে তৃণমূলকে দুর্বল করা যায় তার কৌশল খোঁজে বিরোধীরা। সবাই জানে এই দুই স্তম্ভ হল দুই ম। মুসলিম এবং মহিলা ভোটার। যদিও আমরা কেউ কেউ এক দেশ, এক nation, এক নেতার নীতি প্রতিষ্ঠার জন্য গলা ফাটাই। আবার কেউ কেউ এর বিরোধিতায় বৈচিত্র্যময় ভারতের ছবি তুলে ধরে প্রতিযুক্তি সাজায়। তবে এই দুই অংশের সমর্থন পেতে যতই শুম্ভ নিশুম্ভ যুদ্ধ চলুক, পরিসংখ্যান বলছে আখেরে তারা যে তিমিরে ছিলেন সেই তিমিরেই রয়েছেন। ভোট আসে ভোট যায় কিন্তু এদের অবস্থার বিশেষ পরিবর্তন হয় না। অথচ পরিবর্তনের নামে সুবিধা বিলোনোর প্রতিযোগিতা চলে। সুবিধা বিলোনোর সেই সব প্রকল্পের গালভরা নাম ও দেওয়া হয়। প্রকল্পের সরণি বেয়ে হাতে কিছু অর্থ আসে। অবশ্যই অর্থের প্রয়োজন রয়েছে। কিন্তু সামাজিক সুরক্ষা, নির্যাতন, স্বাস্থ্য সুরক্ষা, শিক্ষার সুযোগ, সুস্থ পরিবেশ, ভদ্রস্থ কাজের সুযোগ, বৈষম্য দূর করা, সু-বেতন অর্থাৎ মানব উন্নয়নের যাবতীয় মাপকাঠিতে এই দুই অংশের পিছিয়ে থাকার কাল আর ফুরোয় না। তবে মুসলিম সম্প্রদায়ের বাড়তি যন্ত্রনা হল সমস্যার গলা জলে দাঁড়িয়েও তোষনের অভিযোগে বিদ্ধ হওয়া।শাসক, বিরোধী সব রাজনৈতিক দলই মনে করে মুসলিমরা যে যেখানেই থাকুন না কেন তাঁরা এক ভাবে চলেন। এক ভাবে ভাবেন। এক ভাবে দিন কাটান। এক ভাবে ভোট দেন। তাই একটা গতিশীল, চিন্তাশীল জনগোষ্ঠীর ভোট ভিক্ষুকদের কাছে পরিচিতি পায় ভোট ব্যাঙ্ক শিরোনামে। তাই এক দেড় দশক আগেও মুসলিম ধর্ম গুরুদের গুরুত্ব বাড়তো। ভোটের আগে রাজনৈতিক দলের নেতা নেত্রীরা তাঁদের দরজায় পৌঁছে যেতেন। মনে করতেন ধর্ম গুরুরা দাওয়ায় দাঁড়িয়ে হাঁক পাড়লেই মুসলিমরা দলে দলে গিয়ে তাঁদের নির্দেশ মত রাজনৈতিক দলকে ভোট দেবেন। এই ভাবনা থেকেই মুসলিম সমাজের উন্নয়নের জন্য মুয়াজ্জিমদের জন্য ভাতা বাড়ানো হয়। যদিও ভাতা বাড়ানোর পরে তাঁদের অনেকের উপার্জন কিছুটা কমে গিয়েছে। ভাতা বাড়ানোর পরে কয়েকজন মুয়াজ্জিমের সঙ্গে কথা বলে ছিলাম। হিন্দুদের যেমন বিভিন্ন পুজা পার্বনে, বিবাহে ও শ্রাদ্ধশান্তিতে পুরোহিতের প্রয়োজন পড়ে, মুসলিম সমাজেও তাই। এই সবক্ষেত্রেই যজমানদের দক্ষিণা ধরে দিতে হয়। কিন্তু ওই মুয়াজ্জিমরা জানিয়ে ছিলেন অনেক সময় দক্ষিণা পর্বে তাঁদের শুনতে হয়েছে, সরকার তো তোমাদের ভাতা বাড়িয়েছে তাহলে আমরা আবার দেব কেন? বঙ্গে মুসলিম তোষনের অভিযোগ বাম আমলেও ছিল। অথচ সেই সময় সাচার কমিটির রিপোর্ট মুসলিম সমাজের পশ্চাদপদতার যে ছবি তুলে ধরেছিল তাতে সরকার কে চরম অস্বস্তির মধ্যে পড়তে হয়েছিল। সেই ছবি টা আজও বদলায় নি। অথচ পথে ঘাটে শোনা যায় তোষনের ফলে মুসলিমদের আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ হয়েছে। সত্যিই কি তোষন হয়? বাস্তব অবস্থা কিন্তু উল্টো কথা বলছে। ২০১১ সালের জনগননা বলছে এই রাজ্যে জনসংখ্যার ২৭ শতাংশ মুসলমান। ২০২১ সালে জনগননার কথা থাকলেও হয়নি। তবে বিশেষজ্ঞদের অনুমান বর্তমানে জনসংখ্যার ৩০ শতাংশ মুসলমান হতে পারে। সাম্প্রতিক নানা সমীক্ষায় দেশজুড়ে সাধারণ মানুষের সংকট বেড়ে চলার ছবি ধরা পড়েছে। এই পরিস্থিতিতে পশ্চিমবঙ্গ নিয়ে কথা হলে বলতেই হয় যে রাজ্যে নাগরিক জীবনের সুযোগ সুবিধা, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কাজ ও কাজের পরিবেশে ঘাটতি রয়েছে। এই অবস্থায় যদি সত্যিই মুসলিম তোষন হত তাহলে তিরিশ শতাংশ মুসলিম বাকি ৭০ শতাংশের থেকে এগিয়ে থাকতো। মানব উন্নয়নের মাপকাঠিতে কে কোথায় দাঁড়িয়ে তার জানতে সরকারি স্তরে নানান সমীক্ষা হয়। সেই সমীক্ষা গুলির ফল বলছে মানব উন্নয়নের সব মাপকাঠিতেই হিন্দুদের মধ্যে পশ্চাদপদ অংশের থেকেও মুসলমানরা পিছিয়ে রয়েছেন।এই তথ্য আমার মত অর্বাচীনের কল্পনা প্রসূত নয়। জাতীয় পরিবার ও স্বাস্থ্য সমীক্ষা, শিশু মৃত্যুর হার, periodic labour force য়ে পরিসংখ্যান হাতের নাগালেই রয়েছে। যে কেউ চাইলেই দেখতে পারেন। সেখানে দেখতে পাবেন, কোনক্ষেত্রেই মুসলমানরা এগিয়ে নেই। বরং হিন্দুদের তুলনায় অনেকটাই পিছিয়ে রয়েছেন। অবশ্য একথা বলার উদ্দেশ্য এই নয় যে হিন্দুরা খুব ভালো আছেন। তাঁরাও অত্যন্ত সমস্যার মধ্যে রয়েছেন। তাই বিভ্রান্তিকর প্রচারে হিংসা ও বিদ্বেষে গা না ভাসিয়ে সবারই উচিত শাসক, বিরোধী সব পক্ষের কাছেই সার্বিক উন্নয়নের খতিয়ান চাওয়া। যাতে উন্নয়নের মাপকাঠিতে যে সব ঘাটতি রয়েছে তা দূর করার জন্য রাজনৈতিক দল গুলির সঠিক উদ্যোগ নিতে বাধ্য হয়।

এপ্রিল ১১, ২০২৪
রাজ্য

দুর্গা পুজোয় শব্দবাজির দাপট নিয়ন্ত্রণে বড়সর সাফল্য বর্ধমান থানার

বর্ধমান থানার পুলিসের তৎপরাতায় উদ্ধার বিপুল পরিমাণের শ্বব্দবাজি। মহালয়ার রাত্রে ব্যপক দাপট দেখিয়েছিল শব্দবাজি। শহরবাসী শব্দের পরাক্রমে রাতের প্রহর গুনে কাটিয়েছে। পুজোয় বাজির দাপট কমাতে সতর্ক ছিল পুলিশ। পুজোর মুখেই বর্ধমান থানার পুলিশ প্রচুর পরিমাণে শব্দবাজি উদ্ধার করলো। পঞ্চমীর সন্ধ্যায় বর্ধমান থানার পুলিশ গোপন সূত্রে খবর পেয়ে তেঁতুলতলা বাজারে অভিযান চালায়। প্রথম অভিযানে সাফল্য না পেলেও, পরে এক ক্রেতাকে ট্রাক করে গোডাউনে পৌঁছয় পুলিশ। গলির ভিতর থেকে লুকিয়ে বিক্রি হচ্ছিল বাজি, অভিযোগ পুলিশের। ওই গোডাউন থেকে প্রচুর পরিমাণে শব্দবাজি উদ্ধার হয়। নিষিদ্ধ শব্দবাজি বিক্রির অপরাধে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাকে শনিবার আদালতে তোলা হবে।

অক্টোবর ০১, ২০২২
দেশ

কংগ্রেসে বড় ধাক্কা, দলে ছাড়লেন রাজ্যসভার সদস্য কপিল সিব্বাল

চিন্তন বৈঠকরে পরও কংগ্রেসের সময় ভাল যাচ্ছে না। এবার দল ছাড়লেন প্রবীণ কংগ্রেস নেতা ও রাজ্য়সভার সাংসদ কপিল সিব্বাল। দীর্ঘ দিনের এই নেতা দল ছাড়ায় স্বভাবতই কংগ্রেসের কাছে বড় ধাক্কা।কপিল সিব্বাল জানিয়েছেন, গত ১৬ মে কংগ্রেস সভানেত্রীকে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন। এদিন তিনি লখনৌতে রাজ্যসভার মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন সমাজবাদী পার্টির প্রার্থী হিসাবে। দলের নেতা অখিলেশ যাদবের হাত ধরে সমাজবাদী পার্টিতে যোগ দেন তিনি।কপিল সিব্বাল ২০০৪ থেকে ২০১৪ পর্যন্ত তিনি কেন্দ্রীয় সরকারের একাধিক মন্ত্রকের দায়িত্বে ছিলেন। কপিল জানান, বিজেপির সঙ্গে লড়াইয়ের জন্য তিনি কংগ্রেস ছেড়ে সমাজবাদী পার্টিতে যোগ দিলেন। ২০১৪ সালে বিজেপির বিরুদ্ধে জোট গঠনে তিনি বিশেষ ভূমিকা নেবেন বলেও জানিয়েছেন।

মে ২৫, ২০২২
কলকাতা

রামপুরহাট কাণ্ডে স্বতঃপ্রণোদিত মামলা হাইকোর্টে

রামপুরহাট কাণ্ডে স্বতঃপ্রণোদিত মামলা গ্রহণ করল কলকাতা হাইকোর্ট। আজই শুনানি হবে মামলাটির। বেলা ২টোয় শুনানি। স্বতঃপ্রণোদিত মামলা গ্রহণ করে আদালত রামপুরহাট কাণ্ডকে কড়া ভাষায় নিন্দা করে। রামপুরহাটের ঘটনাকে শকিং, ঘোরতর অপরাধ বলে উল্লেখ করে আদালত। এই ঘটনায় যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও বলে।প্রসঙ্গত, ইতিমধ্যেই রামপুরহাট কাণ্ডে উপপ্রধান খুন ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায়, দুটি পৃথক মামলা রুজু হয়েছে। জোড়া মামলার তদন্ত করছে সিট। আজ সব মামলারই একসঙ্গে শুনানি হবে প্রধান বিচারপতির বেঞ্চে। এখনও পর্যন্ত রামপুরহাটে কাণ্ডে ইতিমধ্যেই মোট ২৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এরমধ্যে ২২ জনকে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্যদিকে, উপপ্রধান খুনে একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

মার্চ ২৩, ২০২২
কলকাতা

জগদীপ ধনখড়ের বিরুদ্ধে জনস্বার্থ মামলা খারিজ করল হাইকোর্ট

রাজ্যপালের বিরুদ্ধে জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয়েছিল কলকাতা হাইকোর্টে। শুক্রবার সেই মামলা খারিজ করে দিল প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ। প্রধান বিচারপতি প্রকাশ শ্রীবাস্তব ও বিচারপতি রাজর্ষি ভরদ্বাজের ডিভিশন বেঞ্চ এদিন জানায়, রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়কে রক্ষাকবচ দিয়েছে সংবিধান। সংবিধানের ৩৬১ নম্বর ধারা অনুযায়ী রাজ্যপালকে নোটিস দেওয়া যায় না। আদালতের কাছে জবাবদিহি করতে বাধ্য নন রাজ্যপাল। তাই রাজ্যপালের বিরুদ্ধে করা মামলা খারিজ করে দিল আদালত।রাজ্যপালের বিরুদ্ধে কলকাতা হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয়। মামলাটি করেন আইনজীবী রমাপ্রসাদ সরকার। তাঁর বক্তব্য ছিল, এক্তিয়ারের বাইরে গিয়ে সরকারি কাজে বাধা দিচ্ছেন রাজ্যপাল। রাজ্যপাল সংবিধান বহির্ভূত কাজ করছেন বলেও আদালতে জানান মামলাকারী।অন্যান্য কাজের থেকে রাজ্য সরকারের সমালোচনায় তাঁর বেশি আগ্রহ। এদিন আদালত সেই মামলাই খারিজ করে দিয়েছে।প্রসঙ্গত, রাজ্যপালের ভূমিকা নিয়ে এর আগে একাধিকবার সরব হয়েছে এ রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল। রাজ্যপালকে সরানোর দাবিতে সংসদে স্বতন্ত্র প্রস্তাবও আনা হয়। আপাতত এই স্বতন্ত্র প্রস্তাব নিয়ে এগোনোর জন্য রাজ্যসভার চেয়ারম্যানের সম্মতি প্রয়োজন। তিনি যদি এতে সম্মতি দেন তারপরই এই প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা হবে। এই চিঠির মুখ্য বিষয়ই হল, রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়কে যেন ফিরিয়ে নেওয়া হয়। রাষ্ট্রপতিই যেহেতু এই সিদ্ধান্ত নিতে পারেন, তাই চিঠিতে তাঁর কাছেই সে আবেদন জানানো হয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২২
দেশ

বায়ুসেনার ট্যাবলোয় শোভা বাড়ালেন রাফালের প্রথম মহিলা পাইলট শিবাঙ্গী সিং

৭৩ তম সাধারণতন্ত্র দিবস উপলক্ষে প্রতি বছরের মতো এই বছরও রাজধানীর রাজপথে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ও কুচকাওয়াজের আয়োজন করা হয়েছিল। এই কুচকাওয়াজে দেশের বিভিন্ন প্রতিরক্ষা বাহিনীর ট্যাবলো কুচকাওয়াজে অংশগ্রহণ করে। এইবার সেই কুচকাওয়াজেই অংশগ্রহণ করলেন ভারতের প্রথম মহিলা যুদ্ধবিমান ফাইটার যিনি রাফাল যুদ্ধবিমান উড়িয়েছেন। বুধবার প্রজাতন্ত্র দিবসের কুচকাওয়াজে ভারতীয় বায়ুসেনার ট্যাবলোতে অংশগ্রহণ করেন শিবাঙ্গী সিং। শিবাঙ্গী হলেন দ্বিতীয় মহিলা যুদ্ধবিমানের পাইলট যিনি বায়ুসেনার ট্যাবলোতে অংশ নিয়েছেন। এর আগে ভাবনা কান্ত বায়ুসেনার ট্যাবলোতে মহিলা যুদ্ধবিমান পাইলট হিসেবে অংশগ্রহণ করেন।The first woman fighter pilot on the Rafale combat aircraft, Flight Lieutenant Shivangi Singh at the Indian Air Force (IAF) tableau today.#RepublicDayParade pic.twitter.com/vXDFVlAI12 ANI (@ANI) January 26, 2022২০১৭ সালে শিবাঙ্গী সিং ভারতীয় বায়ুসেনা বাহিনীতে যোগদান করেন। তাঁকে ভারতীয় বায়ুসেনার মহিলা যুদ্ধবিমানের পাইলট দ্বিতীয় ব্যাচে অন্তর্ভূক্ত করা হয়। রাফাল যুদ্ধবিমানের পাইলট হওয়ার আগে শিবাঙ্গী মিগ-২১ বাইসন বিমান উড়িয়েছিলেন। শিবাঙ্গী বারাণসীর বাসিন্দা। পঞ্জাবের আম্বালায় অবস্থিত আইএএফকে এর গোল্ডেন অ্যারোস স্কোয়াড্রনের অংশ তিনি। ২০২০ সালে, শিবাঙ্গী সিং একটি কঠোর নির্বাচন প্রক্রিয়ায় মধ্যে দিয়ে নিজেকে প্রমাণ করেছিলেন। এবং রাফাল পাইলট হিসাবে নির্বাচিত হন। তিনিই প্রথম মহিলা পাইলট যিনি রাফাল যুদ্ধবিমানের পাইলট হন।

জানুয়ারি ২৬, ২০২২
বিনোদুনিয়া

এবার বায়োপিকে কপিল শর্মা

বলিউডে বর্তমানে টেলিভিশনে কমেডি বলতে যে নামটা আসে সেটা হল কপিল শর্মার দ্য কপিল শর্মা শো। যে শো বেশ কয়েকবছর ধরে দর্শকদের অন্যতম প্রিয় শো হিসাবে পরিচিত।তারকাদের নিয়ে এসে তাদের মজার মজার প্রশ্ন করা সেটে থাকা এবং টিভির পর্দায় চোখ রাখা সব দর্শকদেরই মুগ্ধ করে।এবার তাঁর জীবনের অজানা গল্প নিয়ে ছবি বানাতে চলেছেন ফুকরে ছবির পরিচালক মৃগদীপ সিংহ লাম্বা। প্রযোজনায় মহাবীর জৈন। লাইকা প্রো়ডাকশন ভারতের অন্যতম জনপ্রিয় কৌতুকশিল্পীর জীবনকাহিনি ফানকার ছবির মাধ্যমে বড়পর্দায় নিয়ে আসছে। তবে মূল চরিত্রে কে অভিনয় করবেন সেটা জানা যায়নি।BIOPIC ON KAPIL SHARMA: FUKREY DIRECTOR TO DIRECT... A biopic on #KapilSharma has been announced... Titled #Funkaar... #MrighdeepSinghLamba - director of #Fukrey franchise - will direct... Produced by #MahaveerJain [#LycaProductions]... #Subaskaran presents. #KapilSharmaBiopic pic.twitter.com/7LxhfKt4r6 taran adarsh (@taran_adarsh) January 14, 2022প্রযোজক জানিয়েছেন, গোটা দেশের মানুষকে অবিরাম হাসির খোরাক জুগিয়ে দেন কপিল। আমাদের প্রত্যেকের জীবনেই ভালবাসা, আনন্দ, হাসির প্রয়োজন। যে মানুষ সেই দায়িত্ব নিয়েছেন, তাঁর জীবনের গল্প বড় পর্দায় নিয়ে আসতে চেয়েছি আমরা। এই ছবির পাশাপাশি মুক্তি পাচ্ছে কপিল শর্মা: আই অ্যাম নট ডান ইয়েট। কপিলের স্ট্যান্ড আপ হিসেবে তৈরি হয়েছে এই বিশেষ পর্ব। আগামী ২৮ তারিখ মুক্তি পাবে নেটফ্লিক্সে।এই বিশেষ পর্বের কথা ঘোষণা করে একটি বিবৃতিতে নেটফ্লিক্স জানিয়েছে, অমৃতসরের গলি থেকে মুম্বইয়ের সেট পর্যন্ত কপিল শর্মা আমাদের বিনোদনের রসদ জুগিয়ে যাচ্ছেন। এখনও চলছে তাঁর এই সফর। আপনাদের আরও হাসাতে আসছেন কপিল শর্মা।

জানুয়ারি ১৪, ২০২২
বিনোদুনিয়া

83 : দিল্লী থেকে করমুক্ত ৮৩

আর মাত্র ১ দিন বাকি। তারপরেই মুক্তি পেতে চলেছে এই বছরের সবথেকে আলোচিত সিনেমা ৮৩। কবীর খান পরিচালিত এই সিনেমাটি ভারতের ১৯৮৩ সালের ক্রিকেট বিশ্বকাপ জয়কে নিয়ে বানানো হয়েছে। ফলে এই সিনেমা নিয়ে আলোচনা তুঙ্গে। ছবির ট্রেলার মুক্তি পাওয়ার পর ৭ কোটি ৪০ লক্ষের কাছাকাছি মানুষ ট্রেলারটি দেখেছিলেন। এবার আরো একটি খুশির খবর এই ছবিকে দিল্লিতে করমুক্ত ঘোষণা করল আপ সরকার। সেই খবর নিজের ইনস্টাগ্রামে জানিয়ে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল এবং উপ-মুখ্যমন্ত্রী মনীশ সিসোদিয়া-কে ধন্যবাদ জানালেন কবীর খান। নিজের ইনস্টাগ্রাম হ্যান্ডেলে ৮৩ ছবির একটি পোস্টার শেয়ার করে এই খবর ঘোষণা করার পাশাপাশি দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী এবং উপ-মুখ্যমন্ত্রীকে সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেছেন ছবির পরিচালক। সঙ্গে আরও লিখলেন, আপনাদের এই পদক্ষেপ আরও বেশি করে দর্শকদের কাছে ভারতের এই বিজয়গাথাকে পৌঁছে দেবে বলেই আমার বিশ্বাস। এই ছবিতে কপিল দেবের চরিত্রে রয়েছেন রণবীর সিং। তার স্ত্রীর রোমির চরিত্রে দেখা যাবে দীপিকা পাডুকোন কে। এই ছবিটি শুধু হিন্দি নয়, তামিল, তেলুগু, কন্নড়, মালায়ালম ভাষায় মুক্তি পাবে।

ডিসেম্বর ২২, ২০২১
খেলার দুনিয়া

t20 World Cup : দেশের খেলার চেয়ে আইপিএলকে বেশি প্রাধান্য কোহলিদের?‌ গর্জে উঠলেন প্রাক্তন ক্রিকেট মহাতারকা

টি২০ বিশ্বকাপে ভারত সেমিফাইনালে উঠতে না পারায় ফুঁসছে গোটা দেশ। ক্রিকেটপ্রেমীরা থেকে শুরু করে প্রাক্তন ক্রিকেটার, প্রত্যেকেই হতাশ। ভারতের বিপর্যয় নিয়ে তর্কবিতর্ক চলছে। শুরু হয়েছে সমালোচনা। বিরাট কোহলিদের বিদায়ে গর্জে উঠেছেন প্রাক্তন বিশ্বজয়ী অধিনায়ক কপিলদেব। তাঁর মতে, দেশের হয়ে খেলার চেয়েও ক্রিকেটাররা আইপিএলকে বেশি অগ্রাধিকার দিয়েছে। সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে কপিলদেব বলেছেন, ক্রিকেটাররা যদি দেশের হয়ে খেলার চেয়ে আইপিএলকে বেশি প্রাধান্য দেয়, তখন আমরা কী বলত পারি? ক্রিকেটারদের তাদের দেশের হয়ে খেলার জন্য অবশ্যই গর্বিত হওয়া উচিত। আমি ক্রিকেটারদের আর্থিক অবস্থা সম্পর্কে জানি না তাই বেশি কিছু বলতে পারছি না। তিনি আরও বলেন, আমি মনে করি প্রথমে দেশের হয়ে খেলাটাই প্রাধান্য পাওয়া উচিত। তারপর ফ্র্যাঞ্চাইজি হয়ে খেলা। আমি বলছি না যে ক্রিকেটাররা আইপিএলে খেলবে না। বেশ কয়েকজন ক্রিকেটার দেশের হয়ে খেলাটাকে বেশি গুরুত্ব দেয় না, আইপিএলে খেলাটাকেই বেশি প্রাধান্য দেয়। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডকে বিষয়টি দেখতে হবে। এখন ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের দায়িত্ব আরও ভালভাবে পরিকল্পনা করে দেশের ক্রিকেটকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া। এই টি২০ বিশ্বকাপে আমরা যে ভুল করেছি তার পুনরাবৃত্তি যেন না হয়, সেটাই হবে আমাদের কাছে বড় শিক্ষা। পরের বছরই আবার বসবে টি২০ বিশ্বকাপের আআসর। কপিলদেব মনে করেন, ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড ও ভারতীয় ক্রিকেট দলের উচিত পরের বিশ্বকাপের জন্য এখন থেকেই পরিকল্পনা শুরু করা। প্রাক্তন এই বিশ্বজয়ী অধিনায়ক বলেন, এখন ভবিষ্যতের দিকে তাকানোর সময়। এখন থেকেই ভবিষ্যতের পরিকল্পনা শুরু করা উচিত। এমন নয় যে বিশ্বকাপ শেষ হয়েছে মানেই ভারতীয় দলের ক্রিকেটও শেষ হয়ে গেছে। বসে না থেকে এখন থেকেই পরিকল্পনা করুক। আইপিএলের পরপরই বিশ্বকাপ শুরু হয়েছে। ক্রিকেটাররা একেবারেই বিশ্রাম পায়নি। এই বিষয়ে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডেরও সমালোচনা করতে দ্বিধা করেননি কপিলদেব। তিনি বলেন, আমি মনে করি আইপিএল এবং টি২০ বিশ্বকাপের মধ্যে কিছুটা ব্যবধান থাকা উচিত ছিল। যাতে ক্রিকেটাররা বিশ্বকাপের জন্য প্রস্তুতি নেওয়ার সময় পেত। তবে আমাদের দেশের ক্রিকেটারদের প্রচুর এক্সপোজার রয়েছে। ক্রিকেটাররা তার সঠিক প্রয়োগ করতে পারেনি। প্রত্যেক ক্রিকেটারের উচিত এই ব্যর্থতার দায় নেওয়া। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য ২০১২ সালের পর এই প্রথম আইসিসির কোনও প্রতিযোগিতা থেকে ভারত এত তাড়াতাড়ি বিদায় নিয়েছে।

নভেম্বর ০৮, ২০২১
খেলার দুনিয়া

T20 World Cup : কোহলির ওপর চরম অসন্তুষ্ট কপিলদেব, সমালোচনা করে কী বললেন?‌

পরপর দুটি ম্যাচ হেরে বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ওঠা কার্যত কঠিন হয়ে পড়েছে ভারতের কাছে। এই অবস্থায় কিউয়িদের কাছে হারের পর ম্যাচের শেষে বিরাট কোহলি বলেছিলেন, নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে যে ধরণের সাহসী ক্রিকেট খেলার দরকার ছিল, তা আমরা খেলতে পারিনি। মাঠে নামার আগে থেকেই শরীরী ভাষায় পিছিয়ে ছিল দলের ক্রিকেটাররা। সতীর্থদের সম্পর্কে এই ধরণের মন্তব্য কখনোই কাম্য নয়। কোহলির এই মন্তব্য ঘিরে চারিদিকে সমালোচনার ঝড় উঠেছে। ভারতের প্রাক্তন বিশ্বজয়ী অধিনায়ক কপিলদেব বলেছেন, অধিনায়ক বিরাট কোহলির কাছ থেকে এই ধরণের মন্তব্য প্রত্যাশিত নয়। কোহলির সমালোচনা করে কপিলদেব বলেছেন, কোহলির মতো বড় মাপের অধিনায়কের কাছ থেকে এই ধরণের মন্তব্য কখনোই কাম্য নয়। এটি একটি দুর্বল বিবৃতি ছাড়া আর কিছুই নয়। ভারতীয় দলের ক্রিকেটারদের শরীরী ভাষা যদি এইরকম থাকে আর অধিনায়কের চিন্তাধারা যদি এইরকম হয়, তাহলে দলের পক্ষে ঘুরে দাঁড়ানো খুবই কঠিন। মনোবল ফিরিয়ে নিয়ে আসা এককথায় অসম্ভব। আমরা সবাই জানি কোহলি জেতার জন্য সবসময় মরিয়া থাকে। রানের জন্য ক্ষুধার্ত থাকে। তবে এই ধরণের মন্তব্য করে ঠিক করেনি। ওর মুখে এই কথা শুনে আমার অবাক লেগেছে। হারের হতাশা থেকেই হয়তো কথাটা বলে ফেলেছে। আমরা সাহসী হতে পারিনি, এমন কথা বলা একজন অধিনায়কের কখনোই বলা উচিত নয়।এই অবস্থায় দলের মনোবল ফিরিয়ে নিয়ে আসার জন্য দলের কোচ রবি শাস্ত্রী এবং মেন্টর মহেন্দ্র সিং ধোনিকে বাড়তি দায়িত্ব নেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছেন কপিলদেব। তিনি বলেছেন, দলের এই সঙ্কটজনক পরিস্থিতিতে আমার বন্ধু রবি শাস্ত্রী ও মহেন্দ্র সিং ধোনিকে অনুরোধ করছি দলের মনোবল ফেরানোর উদ্যোগ নিতে। এই মুহূর্তে ধোনির কাজ হল ক্রিকেটারদের সঙ্গে কথা বলে ওদের আত্মবিশ্বাস ফেরানো। সেমিফাইনালের ছাড়পত্র পেতে গেলে ভারতকে বাকি তিনটি ম্যাচে জিততেই হবে, পাশাপাশি নিউজিল্যান্ডকে আফগানিস্তানের কাছে হারতে হবে। তাহলেই সেমিফাইনালে যাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে।ভারতকে যে এইরকম অন্য দলের মুখাপেক্ষি হয়ে থাকতে হবে, মেনে নিতে পারছেন না কপিলদেব। তিনি বলেন, অন্য দলের পারফরমেন্সের ওপর নির্ভর করে আমাদের সেমিফাইনালে যেতে হবে, আমি এটা একেবারেই পছন্দ করছি না। যদি সেমিফাইনালে যেতেই হয়, তাহলে নিজের যোগ্যতায় যাও। অনেক পারফরমেন্সের ভিত্তিতে নিজেদের আশা করতে হবে, এটা ভাল ব্যাপার নয়।

নভেম্বর ০১, ২০২১
খেলার দুনিয়া

K‌apil Dev-Hardik Pandya: কপিলের মতে, হার্দিক বোলিং না করলেও প্রভাব পড়বে না

অলরাউন্ডার হিসেবে ভারতের টি২০ বিশ্বকাপ দলে সুযোগ পেয়েছেন হার্দিক পান্ডিয়া। অথচ বিশ্বকাপে তাঁর বল করা নিয়ে সংশয় রয়েছে। পিঠে চোটের জন্য দীর্ঘদিন ধরে বোলিং করছেন না। এমনকি আইপিএলেও তাঁকে বল হাতে দেখা যায়নি। পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ২৪ অক্টোবর বিশ্বকাপ অভিযানে নামার আগে হার্দিকের বোলিং করতে না পারাটাই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে।অনেকের মতে বিশ্বকাপে টি২০ বিশ্বকাপে হার্দিক যদি বোলিং না করেন, তাহলে ভারতের কাছে সেটা বড় ধাক্কা। কারণ বিরাট কোহলির কাছে বোলিং অপশন কমে যাবে। ভারতের বিশ্বজয়ী অধিনায়ক কপিল দেব অবশ্য মনে করছেন, হার্দিক বোলিং না করলেও কোনও প্রভাব পড়বে না। হার্দিকের অভাব মিটিয়ে দেওয়ার মতো বোলিং শক্তি ভারতীয় দলের রয়েছে। কপিলদেব বলেছেন, অলরাউন্ডার দলের মধ্যে থাকলে পার্থক্য গড়ে দেয়। বিশ্বকাপে হার্দিক যদি বোলিং নাও করে, তবুও ভারতের সাফল্যে প্রভাব পড়বে না। হয়তো বিরাট কোহলির কাছে বোলিং অপশন কমে যাবে। দলে অলরাউন্ডার থাকলে অধিনায়কের হাতে অপশন বেড়ে যায়, একজন বোলার ব্যর্থ হলে অলরাউন্ডারের হাতে বল তুলে দিতে পারে।কপিলদেব আরও বলেছেন, হার্দিকের মতো প্রতিভা দলের সম্পদ। যদি ২ ওভারও বোলিং করতে পারে তাহলে দলে অনেকটা ফ্লেক্সিবিলিটি আসবে। তবে আমার মনে হয় ওর অভাব মিটিয়ে দেওয়ার মতো ক্ষমতা ভারতীয় দলের রয়েছে। পিঠে চোট থেকে সম্পূর্ণ মুক্ত হওয়ার জন্য দীর্ঘদিন ধরে বোলিং করছেন না। আইপিএল চলাকালীন নেটে বোলিং করলেও ম্যাচে করেননি। কপিলদেব মনে করেন, একজন অলরাউন্ডারের পক্ষে সম্পূর্ণ চোট সারিয়ে মাঠে ফেরা যথেষ্ট সময় সাপেক্ষ। আত্মবিশ্বাস ফিরতে সময় লাগে। তাঁর কথায়, যদি নেটে ৪০৫০টা বল করতে পারে, তাহলে ম্যাচে বোলিং করার মতো আত্মবিশ্বাস ফিরে আসে। না হলে কিন্তু ম্যাচে বোলিং করার মতো আত্মবিশ্বাস ফিরবে না।আইপিএলে বোলিং না করলেও অনেকে আশা করেছিলেন, টি২০ বিশ্বকাপের প্রস্তুতি ম্যাচে বোলিং করবেন হার্দিক। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে প্রথম প্রস্তুতি ম্যাচে অবশ্য তাঁর হাতে বল তুলে দেননি কোহলি। বুধবার অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে দ্বিতীয় প্রস্তুতি ম্যাচ খেলতে নামবে ভারত। এই ম্যাচেও সকলের নজর থাকবে হার্দিকে ওপর। যদি তিনি বোলিং না করেন, সত্যিই সমস্যায় পড়তে হবে ভারতকে। কারণ বিরাট কোহলির হাতে বোলিং অপশন কমে যাবে। হার্দিককে শুধু ব্যাটসম্যান হিসেবে খেলালে ষষ্ঠ বোলারের অভাবে ভুগতে হবে ভারতকে।

অক্টোবর ১৯, ২০২১
কলকাতা

By Poll: ভোটের দাবিতে হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা

ভবানীপুর-সহ রাজ্যের ৭টি বিধানসভা কেন্দ্রে ভোটের ঘোষণা না হওয়ায় নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হচ্ছে কলকাতা হাইকোর্টে। শুধু নির্বাচন কমিশন নয়, এই মামলায় পক্ষ হিসেবে যুক্ত করা হতে পারে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক, রাজ্যের মুখ্যসচিব, স্বরাষ্ট্র সচিব এমনকী, রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিককেও। আগামী সপ্তাহে ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি রাজেশ বিন্দল এবং বিচারপতি রাজর্ষি ভরদ্বাজের ডিভিশন বেঞ্চে আইনজীবী রমাপ্রসাদ সরকারের দায়ের করা মামলাটির শুনানির সম্ভাবনা রয়েছে।আরও পড়ুনঃ প্রয়াত রাজ্যসভার প্রাক্তন সাংসদ চন্দন মিত্রবিধানসভা ভোটের ফলপ্রকাশের পর প্রায় চার মাস অতিবাহিত হয়েছে। কিন্তু তার পরও রাজ্যের দুটি কেন্দ্রে নির্বাচন এবং পাঁচটি কেন্দ্রে উপনির্বাচনের কোনও সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে না। অথচ নিয়ম অনুযায়ী, কোনও কেন্দ্রের বিধায়ক পদ শূন্য হলে, ছমাসের মধ্যে সেখানে উপনির্বাচন করা বাঞ্ছনীয়। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতির উপর বাংলায় তার অন্যথা হতে পারে বলে আশঙ্কা আবেদনকারী আইনজীবীর। সে কারণেই হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করছেন তিনি। রাজ্যের ৭টি বিধানসভা কেন্দ্রে দ্রুত ভোটের দাবিও জানাচ্ছেন। রমাপ্রসাদ জানিয়েছেন, রাজ্যে উপনির্বাচন নিয়ে নির্বাচন কমিশনের নিষ্ক্রিয়তার জন্যই মামলা দায়ের করা হয়েছে।

সেপ্টেম্বর ০২, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Raj Kundra : রাজ কুন্দ্রার এত টাকা নিয়ে কপিল শর্মা কে শিল্পা শেট্টি যা বলেছিলেন

আবার বড়সড় বিপদের মধ্যে রাজ কুন্দ্রা। যা তাঁর স্ত্রী বলিউড অভিনেত্রী শিল্পা শেট্টিকে লজ্জার মুখে ফেলেছে। বলিউড অভিনেত্রী শিল্পা শেঠির স্বামী রাজ কুন্দ্রা সোমবার রাতে মুম্বাই পুলিশের ক্রাইম ব্রাঞ্চের দল গ্রেপ্তার করেছিলেন। মুম্বাই পুলিশ জানিয়েছে যে অশ্লীল ছবি তৈরি ও প্রকাশের জন্য রাজ কুন্দ্রা গ্রেপ্তার হয়েছিল। তার সাথে এই মামলায় আরও ১১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। রাজ কুন্দ্রার গ্রেপ্তারের খবর আসতে শুরু করেই রাজ কুন্দ্রা টুইটারে ট্রেন্ডিং শুরু করলেন। একই সঙ্গে, অনেক নেটিজেনরা দ্য কপিল শর্মা শোতে রাজ কুন্দ্রার একটি পুরানো ভিডিও শেয়ার করা শুরু করেছেন। এই ভিডিওতে কপিল শর্মার শো তে তাদের কথপোকথন রয়েছে।আরও পড়ুনঃ পর্নোগ্রাফি ছবি তৈরির অভিযোগে গ্রেফতার বলিউড অভিনেত্রীর স্বামীভিডিওতে কপিল শর্মা রাজ কুন্দ্রাকে বলেছিলেন, আপনি প্রায়শই চলচ্চিত্রের তারকাদের সাথে ফুটবল ম্যাচ খেলতে, আপনার স্ত্রী শিল্পাকে শপিংয়ের জন্য নিয়ে যান এবং অবসরকালীন ক্রিয়াকলাপ করতে দেখা যায় এই সবের মাঝে আপনি কীভাবে এবং কোথায় সময় পান? কাজ করতে? এবং আপনার আয়ের উত্স কী? কপিল শর্মার এই প্রশ্নে রাজ কুন্দ্রা, শিল্পা এবং শমিতা শেঠি জোরে জোরে হাসতে শুরু করেন। যদিও শিল্পা বলেছেন, তিনি খুব পরিশ্রমী মানুষ।

জুলাই ২০, ২০২১
দেশ

বায়ুসেনার মিগ-২১ যুদ্ধবিমান ভেঙে মৃত্যু পাইলটের

ফের ভেঙে পড়ল ভারতীয় বায়ুসেনার একটি মিগ-২১ বাইসন যুদ্ধবিমান। শুক্রবার ভোরে নিয়মমাফিক ট্রেনিং চলাকালীন আকাশে ওড়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই ভেঙে পড়ে সেটি। ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে বিমানটির চালক স্কোয়াড্রন লিডার অভিনব চৌধুরীর। এক বিবৃতিতে এমনটাই জানিয়েছে বায়ুসেনা।বায়ুসেনা সূত্রে খবর, এদিন বায়ুসেনা ঘাঁটি থেকে ওড়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই পঞ্জাবের মোগা জেলার লাঙ্গিয়ানা খুর্দ গ্রামের কাছে মিগ বিমানটি ভেঙে পড়ে। ইতিমধ্যে এই ঘটনায় তদন্ত শুরু করেছে বায়ুসেনা। প্রসঙ্গত, চলতি বছরে এনিয়ে তিনটি মিগ-২১ বিমান দুর্ঘটনাগ্রস্ত হয়েছে। গত মার্চ মাসে ভেঙে পড়ে একটি মিগ-২১ বাইসন যুদ্ধবিমান। নিয়মমাফিক ট্রেনিংয়ের সময় আকাশে ওড়ার কিছু মুহূর্তের মধ্যে দুর্ঘটনাগ্রস্ত হয় সেটি। ওই ঘটনায় মৃত্যু হয় বায়ুসেনার গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ গুপ্তার। এর আগে জানুয়ারি মাসে রাজস্থানের সুরতগড়ে একটি মিগ-২১ ফাইটার জেট ভেঙে পড়েছিল। কিন্তু সৌভাগ্যক্রমে চালক প্রাণে বেঁচে যান। প্রসঙ্গত, ২০১৯ সালে সংসদে কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রকের প্রতিমন্ত্রী শ্রীপদ নায়েক জানিয়েছিলেন, ২০১৬ সাল থেকে ভারতীয় বায়ুসেনার মোট ২৭টি এয়ারক্রাফ্ট দুর্ঘটনার কবলে পড়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ১৫টি ফাইটার জেট।

মে ২১, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ›

ট্রেন্ডিং

খেলার দুনিয়া

বিশ্বকাপ ফাইনালের আগে বড় কাণ্ড! নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামের টিকিট নিয়ে কালোবাজারি, আটক দুই

আর মাত্র কয়েক ঘণ্টার অপেক্ষা। রবিবার সন্ধ্যায় আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হতে চলেছে T20 World Cup-এর ফাইনাল। মুখোমুখি হবে ভারত ও নিউজিল্যান্ড। এই ম্যাচ ঘিরে দেশজুড়ে তুমুল উন্মাদনা তৈরি হয়েছে। বিশ্বের বৃহত্তম ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ফাইনাল দেখতে বিপুল সংখ্যক দর্শক জড়ো হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।তবে এই উত্তেজনার মাঝেই সামনে এসেছে টিকিট কালোবাজারির অভিযোগ। ম্যাচের টিকিট কালোবাজারিতে বিক্রি করার অভিযোগে দুজনকে আটক করেছে পুলিশ।আহমেদাবাদ সিটি ক্রাইম ব্রাঞ্চ রবিবার বড় ম্যাচের আগে অভিযান চালিয়ে ওই দুই অভিযুক্তকে ধরে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গোপন সূত্রে খবর পেয়ে উসমানপুরা এলাকার গুজরাট বিদ্যাপীঠ বাস স্ট্যান্ডের কাছে ফাঁদ পাতে ক্রাইম ব্রাঞ্চ। সেখান থেকেই দুই ব্যক্তিকে আটক করা হয়।তল্লাশি চালিয়ে তাদের কাছ থেকে ম্যাচের আটটি টিকিট উদ্ধার করা হয়েছে। অভিযোগ, তারা অনলাইনে আগেই টিকিট কিনে পরে কয়েকগুণ বেশি দামে বিক্রি করছিল। দুই হাজার টাকার টিকিট দশ থেকে বারো হাজার টাকা পর্যন্ত দামে বিক্রি করা হচ্ছিল বলে অভিযোগ উঠেছে। উদ্ধার হওয়া সব টিকিট বাজেয়াপ্ত করেছে পুলিশ।গুজরাট পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে একাধিক ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। এই ঘটনার সঙ্গে আরও কেউ জড়িত আছে কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।এর আগেই আহমেদাবাদের পুলিশ কমিশনার জি এস মালিক সতর্ক করে দিয়েছিলেন যে টিকিটের কালোবাজারি রুখতে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি জানান, ফাইনাল ম্যাচ ঘিরে নিরাপত্তা ব্যবস্থাও জোরদার করা হয়েছে।পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, ম্যাচের দিন প্রায় তিন হাজার পুলিশকর্মী এবং এক হাজার হোমগার্ড মোতায়েন থাকবে। স্টেডিয়ামের প্রবেশপথে ভিড় নিয়ন্ত্রণের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে এক ও দুই নম্বর গেটের কাছে অতিরিক্ত নিরাপত্তা ও সংরক্ষিত এলাকা তৈরি করা হয়েছে যাতে অতিরিক্ত ভিড় বা পদপিষ্ট হওয়ার মতো পরিস্থিতি এড়ানো যায়।এই ফাইনাল ম্যাচ দেখতে এক লক্ষেরও বেশি দর্শক উপস্থিত থাকতে পারেন বলে মনে করা হচ্ছে। সেই কারণেই টিকিটের চাহিদা অত্যন্ত বেশি। আর সেই সুযোগেই সক্রিয় হয়ে উঠেছে কালোবাজারিরা বলে মনে করছে পুলিশ।উল্লেখ্য, রবিবারের ফাইনালে জিততে পারলে ভারত টানা দ্বিতীয়বার টি কুড়ি বিশ্বকাপ জয়ের নজির গড়বে। পাশাপাশি দেশের মাটিতে বিশ্বকাপ জেতা প্রথম দল হিসেবেও ইতিহাস গড়তে পারে ভারতীয় দল। সেই ঐতিহাসিক মুহূর্ত দেখার আশায় এখন থেকেই স্টেডিয়াম চত্বরে ভিড় জমাতে শুরু করেছেন ক্রিকেটপ্রেমীরা।

মার্চ ০৮, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

ফাইনালের মঞ্চে কি নেই বিশ্বের এক নম্বর ব্যাটার ও বোলার? গম্ভীরের দলে বড় বদলের ইঙ্গিত

টিটোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালের আগে ভারতীয় দলে বড় চমকের ইঙ্গিত। নিউজ়িল্যান্ডের বিরুদ্ধে শেষ লড়াইয়ের আগে দলের প্রথম একাদশে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনতে পারেন কোচ গৌতম গম্ভীর। এমনও হতে পারে, ফাইনালের মতো বড় ম্যাচে জায়গা না-ও পেতে পারেন টিটোয়েন্টি ক্রিকেটের বিশ্বের এক নম্বর ব্যাটার এবং এক নম্বর বোলার।রবিবার আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদী স্টেডিয়ামেএ নিউজ়িল্যান্ডকে হারাতে পারলেই ইতিহাস গড়বে ভারত। অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব এর নেতৃত্বে টানা দ্বিতীয়বার টিটোয়েন্টি বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন দেখছে ভারতীয় দল। কিন্তু তার আগে দলের ভারসাম্য ঠিক করতে কিছু কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হতে পারে টিম ম্যানেজমেন্টকে।ওপেনিং জুটিতে বড় বদলের সম্ভাবনাবিশ্বকাপের পুরো টুর্নামেন্ট জুড়েই প্রত্যাশা পূরণ করতে পারেননি অভিষেক শর্মা। টিটোয়েন্টি র্যাঙ্কিংয়ে এক নম্বর ব্যাটার হয়েও তাঁর ব্যাট থেকে বড় রান আসেনি। ফলে ফাইনালের মতো ম্যাচে তাঁকে খেলানো নিয়ে দ্বিধায় টিম ম্যানেজমেন্ট।ভারতীয় শিবির সূত্রে খবর, ফাইনালে ওপেনিং জুটি বদলানোর কথা ভাবা হচ্ছে। ইনিংস শুরু করতে পারেন ইশান কিষাণ এবং সঞ্জু স্যামসন। দুজনেই সাম্প্রতিক ম্যাচে ভালো ফর্মে থাকায় শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ের পরিকল্পনা রয়েছে ভারতের।তিন নম্বরে দেখা যেতে পারে তরুণ ব্যাটার তিলক ভার্মাকে। চার নম্বরে নামবেন অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব। মিডল অর্ডারে থাকবেন হার্দিক পান্ডিয়া এবং শিবম দুবে। ফিনিশারের ভূমিকায় থাকতে পারেন রিঙ্কু সিং। সাত নম্বরের পর ব্যাটিং গভীরতা বাড়াতে রাখা হতে পারে সহঅধিনায়ক অক্ষর প্যাটেলকে।বোলিং বিভাগেও চমকফাইনালের আগে বোলিং বিভাগ নিয়েও চিন্তায় ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্ট। টিটোয়েন্টি ক্রিকেটে বিশ্বের এক নম্বর বোলার বরুণ চক্রবর্তী সেমিফাইনাল সহ আগের বেশ কয়েকটি খেলায় তাঁর যোগ্যতা অনুযায়ী বল করতে পারেননি বলেই বিশেষজ্ঞদের ধারণা। তাঁর বলের রহস্য কিছুটা ধরে ফেলেছে নিউজ়িল্যান্ডের ব্যাটাররা বলেই মনে করা হচ্ছে।যদিও তিনি টুর্নামেন্টে ভারতের হয়ে সর্বাধিক উইকেট শিকারি, তবুও ফাইনালে তাঁকে বিশ্রাম দিয়ে সুযোগ দেওয়া হতে পারে কুলদীপ যাদবকে। স্পিন আক্রমণে অক্ষর পটেলের সঙ্গে কুলদীপকে দেখা যেতে পারে।পেস আক্রমণে অবশ্য কোনও বদলের সম্ভাবনা নেই। ভারতের দুই ভরসা জসপ্রীত বুমরাহ এবং আরশদীপ সিংই ফাইনালে খেলবেন বলে মনে করা হচ্ছে।সম্ভাব্য ভারতীয় একাদশ১. ঈশান কিশন২. সঞ্জু স্যামসন৩. তিলক বর্মা৪. সূর্যকুমার যাদব (অধিনায়ক)৫. হার্দিক পাণ্ড্য৬. শিবম দুবে৭. রিঙ্কু সিংহ৮. অক্ষর পটেল৯. কুলদীপ যাদব১০. জসপ্রীত বুমরাহ১১. অর্শদীপ সিংহফাইনালের আগে ভারতের লক্ষ্য স্পষ্টব্যাটিং গভীরতা বাড়ানো এবং বোলিং আক্রমণে বৈচিত্র্য আনা। সেই কারণেই বিশ্বের এক নম্বর ব্যাটার ও বোলারকেও বাইরে বসানোর কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে পিছপা নাও হতে পারেন গম্ভীরেরা। এখন দেখার, ফাইনালের মঞ্চে এই কৌশল ভারতকে ইতিহাসের পথে নিয়ে যেতে পারে কি না।

মার্চ ০৮, ২০২৬
রাজ্য

সত্যি কি রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুকে অপমান করা হয়েছে? কী বলছে নিয়ম

ভোটের আগে নতুন করে উত্তপ্ত হয়ে উঠল রাজ্য ও কেন্দ্রের সম্পর্ক। রাজ্য বনাম রাজ্যপাল, রাজ্য বনাম নির্বাচন কমিশনের সংঘাতের পর এবার সামনে এল রাজ্য ও রাষ্ট্রপতির টানাপোড়েন। শিলিগুড়ি মহকুমার গোঁসাইপুরে নবম আন্তর্জাতিক সাঁওতাল সম্মেলনে যোগ দিতে এসেছিলেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। সেই সফর ঘিরেই রাজ্যের বিরুদ্ধে একাধিক বিষয় নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন তিনি। এই ঘটনার পরেই বিষয়টি নিয়ে নড়েচড়ে বসেছে কেন্দ্র।সূত্রের খবর, রাষ্ট্রপতিকে অসম্মান করা হয়েছে বলে অভিযোগ তুলে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। ইতিমধ্যেই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক রাজ্যের কাছে ব্যাখ্যা চেয়েছে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রসচিব গোবিন্দ মোহন চিঠি লিখে রাজ্যের মুখ্যসচিব নন্দিনী চক্রবর্তীর কাছে ঘটনার ব্যাখ্যা জানতে চেয়েছেন বলে জানা গেছে।সাধারণত কোনও রাজ্যে রাষ্ট্রপতি গেলে তাঁকে স্বাগত জানাতে সেই রাজ্যের রাজ্যপাল ও মুখ্যমন্ত্রী উপস্থিত থাকেন। অনেকেই বলছেন, এ বিষয়ে লিখিত নিয়ম না থাকলেও দীর্ঘদিনের একটি প্রচলিত রীতি রয়েছে। যদি মুখ্যমন্ত্রী উপস্থিত না থাকেন, তাহলে সাধারণত প্রশাসনের শীর্ষ কর্তারা উপস্থিত থাকেন। সেখানে মুখ্যসচিব বা পুলিশের সর্বোচ্চ কর্তার উপস্থিতি দেখা যায়।কিন্তু শনিবার শিলিগুড়িতে সেই ছবি দেখা যায়নি বলেই বিতর্ক তৈরি হয়েছে। রাষ্ট্রপতির অনুষ্ঠানে দেখা যায়নি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। শুধু তাই নয়, রাজ্যের কোনও মন্ত্রীও উপস্থিত ছিলেন না। এমনকি মুখ্যসচিব বা পুলিশের শীর্ষ কর্তারও দেখা মেলেনি।এদিকে কয়েকদিন আগেই রাজ্যপালের পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন সিভি আনন্দ বোস। তাঁর জায়গায় নতুন রাজ্যপাল হিসেবে দায়িত্ব নিতে চলেছেন আর এন রবি। তিনি আগামী বারো মার্চ শপথ নেবেন বলে জানা গেছে। ফলে এই সফরে তাঁর উপস্থিত থাকার প্রশ্নই ছিল না।এই পরিস্থিতিতে রাষ্ট্রপতিকে স্বাগত জানাতে উপস্থিত ছিলেন শিলিগুড়ির মেয়র গৌতম দেব। তিনি যদিও রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী, কিন্তু বর্তমানে মন্ত্রিসভার সদস্য নন। রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু এ প্রসঙ্গে বলেন, তিনি যখন কোনও রাজ্যে সফরে যান, তখন সাধারণত মুখ্যমন্ত্রী বা মন্ত্রিসভার কোনও সদস্য তাঁকে স্বাগত জানান।এই ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলেও শুরু হয়েছে তীব্র চাপানউতোর। শিলিগুড়ির মেয়র গৌতম দেব বলেন, রাজ্যের পক্ষ থেকে তিনিই রাষ্ট্রপতিকে স্বাগত জানিয়েছেন। তাঁর সঙ্গে জেলা প্রশাসনের শীর্ষ কর্তারা উপস্থিত ছিলেন বলেও দাবি করেন তিনি।অন্যদিকে শিলিগুড়ির প্রাক্তন মেয়র তথা বাম নেতা অশোক ভট্টাচার্য বলেন, রাষ্ট্রপতি বাঙালি না অবাঙালি বা কোন সরকারের আমলে নির্বাচিত হয়েছেন, সেটি বড় বিষয় নয়। তাঁর মতে, রাষ্ট্রপতির পদ দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদ এবং সেই পদকে সম্মান জানানো সব সরকারেরই দায়িত্ব।এই ইস্যুতে বিজেপিও রাজ্য সরকারকে আক্রমণ করেছে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার বলেন, রাষ্ট্রপতি কী বলেছেন এবং মুখ্যমন্ত্রী কী বলেছেন, দুটো বিষয় পাশাপাশি রাখলেই সব পরিষ্কার হয়ে যাবে। তাঁর দাবি, তাতেই বোঝা যাবে কে সংবিধানের সীমার মধ্যে কথা বলেছেন আর কে তার বাইরে গিয়েছেন।আইন বিশেষজ্ঞদের একাংশও এই বিষয় নিয়ে মত প্রকাশ করেছেন। কলকাতা হাইকোর্টের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি দেবাশিস করগুপ্ত বলেন, রাজ্যের আগের রাজ্যপাল পদত্যাগ করার ফলে একটি প্রশাসনিক শূন্যতা তৈরি হয়েছে। তবে তাঁর মতে, এই ধরনের অনুষ্ঠানে প্রোটোকল অনুযায়ী কোনও মন্ত্রীর উপস্থিত থাকা উচিত ছিল। কারণ রাষ্ট্রপতি দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে রয়েছেন এবং সেই পদকে সম্মান জানানো প্রথার অংশ।

মার্চ ০৮, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

ফাইনালের আগে বিস্ফোরক মন্তব্য! মোদিকে ‘অপয়া’ বলেই ইঙ্গিত প্রিয়াঙ্ক খাড়গের

বিশ্বকাপ ফাইনালের আগে বড় বিতর্ক তৈরি হল। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে ঘিরে মন্তব্য করে আলোচনায় উঠে এলেন কর্নাটকের মন্ত্রী তথা কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গের পুত্র প্রিয়াঙ্ক খাড়গে। তাঁর দাবি, প্রধানমন্ত্রী মাঠে থাকলে ভারতের জয়ের সম্ভাবনা কমে যায়।দুই হাজার তেইশ সালের একদিনের বিশ্বকাপ ফাইনাল দেখতে গিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেই ম্যাচ হয়েছিল আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে। সেই ফাইনালে অস্ট্রেলিয়ার কাছে হেরে যায় ভারত। সেই ঘটনার পর থেকেই অনেক ক্রিকেটপ্রেমীর মধ্যে ধারণা তৈরি হয়েছে যে ওই মাঠ ভারতীয় দলের জন্য খুব একটা শুভ নয়।রবিবার টি কুড়ি বিশ্বকাপের ফাইনালে মুখোমুখি হবে ভারত ও নিউজিল্যান্ড। চলতি প্রতিযোগিতায় ভারতীয় দল মাত্র একটি ম্যাচ হেরেছে এবং সেই ম্যাচটিও হয়েছিল আহমেদাবাদের এই স্টেডিয়ামে। তাই ফাইনালও একই মাঠে হওয়ায় অনেক সমর্থকের মধ্যেই দুশ্চিন্তা তৈরি হয়েছে। আবারও কি দুই হাজার তেইশ সালের মতো স্বপ্নভঙ্গ হবে, সেই আশঙ্কা রয়েছে অনেকের মনে।এই পরিস্থিতিতে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে প্রিয়াঙ্ক খাড়গে বলেন, ভারতের জেতা উচিত। তিনি বলেন, যখনই নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে গিয়ে ভারতের ম্যাচ দেখেছেন, তখনই ভারত হেরেছে। তাঁর দাবি, তিনি তথ্য না দেখে কিছু বলেন না। ইতিহাস দেখলেই বিষয়টি বোঝা যাবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। পাশাপাশি তিনি বলেন, আগে এই স্টেডিয়ামের নাম ছিল সর্দার প্যাটেলের নামে, পরে সেটি বদলে নরেন্দ্র মোদির নামে করা হয়েছে।সূত্রের খবর, দুই হাজার তেইশ সালের ফাইনালের মতো এবার নরেন্দ্র মোদি মাঠে উপস্থিত থাকবেন না। সাংবাদিকদের কাছ থেকে এই খবর শুনে প্রিয়াঙ্ক খাড়গে বলেন, সেটি ভারতীয় দলের জন্য ভালো হতে পারে। তাঁর মতে, এতে হয়তো ভারত জয়ের পথে এগোতে পারবে।উল্লেখ্য, দুই হাজার তেইশ সালের বিশ্বকাপ ফাইনালে হারের পর ভারত আর কোনও আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থার প্রতিযোগিতার ফাইনালে হারেনি। দুই হাজার চব্বিশ সালের টি কুড়ি বিশ্বকাপ এবং দুই হাজার পঁচিশ সালের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি জিতেছে ভারতীয় দল। গত বছর দেশের মাটিতে একদিনের বিশ্বকাপ জিতেছে ভারতের মহিলা দলও। তাই রবিবারের ফাইনালে আহমেদাবাদের এই মাঠেই কি সব দুশ্চিন্তার অবসান হবে, নাকি আবারও ফাইনাল হেরে চোখে জল নিয়ে ফিরতে হবে ভারতীয় দলকে, সেই প্রশ্নই এখন ঘুরছে ক্রিকেটপ্রেমীদের মনে।

মার্চ ০৮, ২০২৬
বিদেশ

“ট্রাম্পকে ছাড়ব না” হুমকিতে কাঁপছে বিশ্ব, প্রতিশোধের বার্তা ইরানের নিরাপত্তা প্রধানের

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ছেড়ে দেওয়া হবে না। তাঁকে এর মূল্য চোকাতে হবে। এমনই কড়া হুঁশিয়ারি দিলেন ইরানের নিরাপত্তা প্রধান আলি লারিজানি। সরাসরি ট্রাম্পকে লক্ষ্য করে তিনি এই বার্তা দিয়েছেন।গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইজরায়েল ও আমেরিকার যৌথ হামলায় নিহত হন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেই। সেই ঘটনার পর থেকেই ইরানের মধ্যে প্রবল ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। প্রতিশোধের দাবিতে উত্তাল হয়ে উঠেছে দেশটি। দিন যত যাচ্ছে, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের পরিস্থিতিও ততই জটিল হয়ে উঠছে।এই পরিস্থিতিতে ট্রাম্পকে হুমকি দিয়ে লারিজানি তাঁর সামাজিক মাধ্যমে লিখেছেন, তাঁদের নেতা খামেনেই এবং দেশের মানুষের রক্তের বদলা নেওয়া হবে। তাঁর কথায়, ট্রাম্পকে এর মূল্য দিতেই হবে। শত্রুদের হামলার জবাব ইরান অবশ্যই দেবে বলেও জানান তিনি।লারিজানির দাবি, ইতিমধ্যেই কয়েকজন মার্কিন সেনাকে বন্দি করেছে ইরান। ইরানের এক সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ট্রাম্প তাঁদের নেতাকে হত্যা করেছেন এবং প্রায় এক হাজার ইরানি নাগরিক নিহত হয়েছেন। তাই মার্কিন প্রেসিডেন্টকে ছেড়ে দেওয়া হবে না বলেও স্পষ্ট হুঁশিয়ারি দেন তিনি।মধ্যপ্রাচ্যের এই যুদ্ধে ইতিমধ্যেই বহু মানুষের মৃত্যু হয়েছে। তথ্য অনুযায়ী, শুধু ইরানেই এখনও পর্যন্ত এক হাজারের বেশি মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন। গত পাঁচ দিনে ইরান প্রায় পাঁচশো ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র এবং দুই হাজার ড্রোন হামলা চালিয়েছে বলে জানা গেছে। অন্যদিকে আমেরিকা ও ইজরায়েলও ইরানের দুই হাজারের বেশি লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছে।ফলে পরিস্থিতি ক্রমেই আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠছে। আন্তর্জাতিক মহল এখন গভীর উদ্বেগের সঙ্গে পরিস্থিতির দিকে নজর রাখছে।

মার্চ ০৮, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের আগে হঠাৎ পদত্যাগ! অবশেষে মুখ খুললেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস

ভোটের আগে আচমকা রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের পদত্যাগ ঘিরে এখনও জল্পনা থামেনি। তিনি কি কোনও চাপের মুখে পড়ে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে নানা আলোচনা চলছে। মুখ্যমন্ত্রীও এই বিষয়ে ইঙ্গিত করে বিজেপির দিকে আঙুল তুলেছেন। তবে সেই জল্পনার মধ্যেই রবিবার কলকাতায় ফিরে নিজেই মুখ খুললেন সিভি আনন্দ বোস।দমদম বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের মুখে পড়ে কিছুটা দার্শনিক সুরেই তিনি বলেন, এটি তাঁর নিজের সচেতন সিদ্ধান্ত। তাঁর কথায়, এটাই বিদায় নেওয়ার সঠিক সময়। একজন গেলে তবেই তো আরেকজন আসবে।এ সময় তিনি করজোড়ে প্রণাম জানিয়ে বলেন, বাংলায় যে সময় তিনি কাটিয়েছেন, তা তাঁর কাছে খুবই সুন্দর অভিজ্ঞতা। বাংলার মানুষের ভালোবাসা তিনি পেয়েছেন বলেও জানান। পাশাপাশি তিনি এও জানান, এখন তিনি চৌরঙ্গী বিধানসভা কেন্দ্রের একজন ভোটার হয়েছেন। সেটি তাঁর কাছে দ্বিগুণ আনন্দের বিষয়।তবে ভবিষ্যতের পরিকল্পনা নিয়ে এখনও স্পষ্ট কিছু বলতে চাননি বিদায়ী রাজ্যপাল। আসন্ন নির্বাচনে তিনি প্রার্থী হবেন কি না বা অন্য কোনও ক্ষেত্রে কাজ করবেন কি না, সে বিষয়ে সরাসরি কিছু বলেননি। তাঁর কথায়, আপাতত সে ধরনের কোনও পরিকল্পনা নেই।তবে ভোটের মুখে তাঁর এই পদত্যাগ ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে নানা প্রশ্ন উঠছে। অনেকেই মনে করছেন, এর পিছনে বড় কোনও রাজনৈতিক ইঙ্গিতও থাকতে পারে।

মার্চ ০৮, ২০২৬
রাজ্য

রাষ্ট্রপতিকে সামনে পেয়েই বড় দাবি! বাংলায় রাষ্ট্রপতি শাসনের ডাক বিজেপি সাংসদের

শনিবার আন্তর্জাতিক সাঁওতাল সম্মেলনে যোগ দিতে শিলিগুড়িতে এসেছিলেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। তাঁকে স্বাগত জানানোর সময় প্রোটোকল ভাঙা হয়েছে বলে অভিযোগ তোলে বিজেপি। যদিও রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে লিখিতভাবে জানানো হয়, কোনও প্রোটোকল ভঙ্গ করা হয়নি। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাষ্ট্রপতি ভবন এবং নবান্নের মধ্যে নজিরবিহীন টানাপোড়েন তৈরি হয়েছে বলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।এর মধ্যেই সুযোগ নিয়ে রাজ্য প্রশাসনকে আক্রমণ করেন বিজেপি সাংসদ রাজু বিস্তা। রাষ্ট্রপতির অনুষ্ঠান শেষ হওয়ার পর সাংবাদিক বৈঠকে তিনি বলেন, বাংলার পরিস্থিতি খুবই খারাপ। তাঁর দাবি, এই অবস্থায় একমাত্র রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করে তার অধীনে নির্বাচন করলেই সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ ভোট সম্ভব। দ্রুত বাংলায় রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করার দাবি জানান তিনি।এর কিছুক্ষণ পরেই সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন শিলিগুড়ির মেয়র গৌতম দেব। তিনিই শনিবার বাগডোগরা বিমানবন্দরে গিয়ে রাষ্ট্রপতিকে স্বাগত জানিয়েছিলেন। তিনি বলেন, রাষ্ট্রপতি অনুষ্ঠান শেষ করে দিল্লি পৌঁছানোর আগেই বিজেপি সাংসদ রাষ্ট্রপতি শাসনের দাবি তুলছেন। তাঁর প্রশ্ন, রাষ্ট্রপতিকে দেখেই কি এই কথা মনে পড়ল? তাঁর দাবি, দলের বড় নেতারা যা বলেন, রাজু বিস্তাও সেটাই বলছেন।গৌতম দেব আরও বলেন, সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে বিজেপি সাংসদের চিন্তা করার কোনও প্রয়োজন নেই। তাঁর বক্তব্য, যদি তৃণমূল ভোটে কারচুপি করত, তাহলে রাজু বিস্তা কীভাবে জিতলেন? তিনি আরও অভিযোগ করেন, সাংসদ নিজের কেন্দ্রে খুব একটা থাকেন না, অথচ ভোটের আগে বড় বড় কথা বলছেন।উল্লেখ্য, বাংলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি খারাপ বলে অভিযোগ তুলে রাজ্যের বিজেপি নেতৃত্ব আগেও একাধিকবার রাষ্ট্রপতি শাসনের দাবি তুলেছে। বিশেষ করে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী এই দাবি বারবার করেছেন। তবে সেই দাবি এখনও পর্যন্ত বাস্তবায়িত হয়নি। তাই রাজু বিস্তার এই দাবিকেও গুরুত্ব দিতে নারাজ তৃণমূল নেতৃত্ব।

মার্চ ০৮, ২০২৬
রাজ্য

ঠাকুরনগরে গোপন বৈঠক! বিজেপি সাংসদ শান্তনু ঠাকুরের সঙ্গে দেখা তৃণমূল বিধায়ক মুকুটমনির

চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় মতুয়া সম্প্রদায়ের একাংশের নাম বাদ পড়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। সেই ঘটনায় উদ্বেগে রয়েছেন বহু মতুয়া ভোটার। তাঁদের আশঙ্কা, আগামী বিধানসভা নির্বাচনে তারা ভোট দিতে পারবেন কি না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ একাধিকবার আশ্বাস দিলেও মতুয়া সমাজের মধ্যে সেই উদ্বেগ এখনও পুরোপুরি কাটেনি।এই পরিস্থিতির মধ্যেই রবিবার সন্ধ্যায় ঠাকুরনগরের ঠাকুরবাড়িতে নতুন রাজনৈতিক জল্পনা তৈরি হয়েছে। বনগাঁর বিজেপি সাংসদ ও কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শান্তনু ঠাকুরের সঙ্গে দেখা করতে যান রানাঘাট দক্ষিণের তৃণমূল বিধায়ক মুকুটমনি অধিকারী। সূত্রের খবর, দুজনের মধ্যে দীর্ঘ সময় ধরে একান্তে আলোচনা হয়। এই সাক্ষাৎকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নানা জল্পনা শুরু হয়েছে।বিশেষ করে সামনে যখন বিধানসভা নির্বাচন, তখন এই বৈঠককে অনেকেই গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন। প্রশ্ন উঠছে, এটি কি শুধুই সৌজন্য সাক্ষাৎ, নাকি এর পিছনে রয়েছে অন্য কোনও রাজনৈতিক ইঙ্গিত।তবে বৈঠক শেষে মুকুটমনি অধিকারী দাবি করেন, এটি শুধুমাত্র সৌজন্য সাক্ষাৎ। তাঁর কথায়, তিন প্রজন্ম ধরে আমরা ঠাকুরবাড়িতে আসছি। এর আগেও বহুবার এসেছি। এর সঙ্গে রাজনীতির কোনও সম্পর্ক নেই। দলবদল প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ভোটের আগে নানা ধরনের জল্পনা তৈরি হয়, কিন্তু বাস্তবে তেমন কিছু নেই।অন্যদিকে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শান্তনু ঠাকুরও বলেন, এই সাক্ষাৎ সম্পূর্ণ সৌজন্যমূলক। তাঁর দাবি, মুকুটমনি অধিকারী গাড়ির পুজো দিতে ঠাকুরবাড়িতে এসেছিলেন। দলবদল নিয়ে কোনও আলোচনা হয়নি বলেও জানান তিনি।তবে রাজনৈতিক মহলের একাংশ মনে করছে, বিধানসভা নির্বাচনের আগে এই সাক্ষাৎ ভবিষ্যতে বড় কোনও রাজনৈতিক বার্তার ইঙ্গিত দিতে পারে। কারণ ভোটের আগে দলবদল বা নতুন সমীকরণ তৈরি হওয়া বঙ্গ রাজনীতিতে নতুন কিছু নয়।উল্লেখ্য, দুই হাজার একুশ সালের বিধানসভা নির্বাচনে রানাঘাট দক্ষিণ আসন থেকে বিজেপির প্রার্থী হয়ে জয়ী হয়েছিলেন মুকুটমনি অধিকারী। পরে লোকসভা নির্বাচনের আগে তিনি দল বদলে তৃণমূলে যোগ দেন এবং রানাঘাট লোকসভা আসনে তৃণমূলের প্রার্থী হন। যদিও সেই নির্বাচনে তিনি পরাজিত হন। এরপর তৃণমূলের টিকিটে রানাঘাট দক্ষিণ বিধানসভা আসনের উপনির্বাচনে জয়ী হন।

মার্চ ০৮, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal